ছবিটা যখন তুলছিলাম মনে হচ্ছে একটি প্রাণের ছবি তুললাম। আমরা সাধারণত গ্রামের আনাছে কানাছে বেশী দেখতে পাই এই তেলাকুচা গাছটি। গাছটি লতা জাতীয়।
তেলাকুচা একটি বহু উপকারী আমরা সকলে যানি। তেলাকুচা শাক হিসেবে খাওয়া হয়। লতা পাতার রস ডায়াবেটিস রোগে বিশেষ উপকারী। গ্রামে এ পাতার রস মাথা ঠান্ডা রাখার জন্য ব্যবহার করে।
তেলাকুচা শাক
বৈজ্ঞানিক নাম: Coccinea cordifolia
কোথায় এবং কোন পরিবেশে জন্মা: তেলাকুচা লতা জাতীয় গাছ এ গাছ অন্য গাছের সাছে লতিয়ে উপরে উঠে। ঝোপ জংগলে এই গাছ জন্মে। বাড়ির আশ পাশের বেড়াতেও যেখানে বড় গাছ না থাকে সেখানি মাটিতে লুটিয়ে থাকে। এ গাছ ছায়া ও রোদ্রময় সব জায়গাতে কলা গাছে বেশি বেয়ে ওঠে । এই গাছ শুকনা একটা আদ্রতা যুক্ত মাটিতে জন্মে। পাকা ফলের বীজ থেকে আবার নতুন গাছ জন্মে। তেলাকুচা সারা বৎসরই জন্মায়।
গাছের বর্ণনা: তেলাকুচা লতা জাতীয় সপুষ্পক উদ্ভিদ। এই গাছ অন্য গাছের সাথে লতিয়ে উঠে। পাতা গাঢ় সবুজ। আকৃতি ছোট পাতার মত। ফল ছোট লম্বাটে। পটলের মত দেখতে। পাকলে সিপুর রঙের হয়। কাচা অবস্থায় সবুজ রঙের থাকে। ফলের গায়ে সাদা সাদা জোড়া কাটা দাগ আছে ফুলটি সাদা রঙের হয় দেখতে মহিকের আকৃতি। গাছের লতা ১০/১২ হাত লম্বা হয়ে থাকে। জ্যৈষ্ট, আষাঢ় মাসে ফুল আসে।
সংগ্রহের পদ্ধতি: এই শাকের লতার কচি ডগা ও পাতা সংগ্রহ করা হয়। ফল ও সংগ্রহ করা হয়। যশোর এলাকাতে এই গাছের কচি ফল অনেকে খেয়ে থাকে।
কোন অংশ খায়: পাতা, ডগা ও ফল খাওয়া হয় নানা ভাবে।
খাওয়ার পদ্ধতি: ভার্তা, ভাজি, বড়া, সালাদ, ল্যাবড়া রতা করে খাওয়া হয়। কাচা ফল শসার মত করে চিবিয়ে খাওয়া হয়।
বৈজ্ঞানিক নাম: Coccinea cordifolia
কোথায় এবং কোন পরিবেশে জন্মা: তেলাকুচা লতা জাতীয় গাছ এ গাছ অন্য গাছের সাছে লতিয়ে উপরে উঠে। ঝোপ জংগলে এই গাছ জন্মে। বাড়ির আশ পাশের বেড়াতেও যেখানে বড় গাছ না থাকে সেখানি মাটিতে লুটিয়ে থাকে। এ গাছ ছায়া ও রোদ্রময় সব জায়গাতে কলা গাছে বেশি বেয়ে ওঠে । এই গাছ শুকনা একটা আদ্রতা যুক্ত মাটিতে জন্মে। পাকা ফলের বীজ থেকে আবার নতুন গাছ জন্মে। তেলাকুচা সারা বৎসরই জন্মায়।
গাছের বর্ণনা: তেলাকুচা লতা জাতীয় সপুষ্পক উদ্ভিদ। এই গাছ অন্য গাছের সাথে লতিয়ে উঠে। পাতা গাঢ় সবুজ। আকৃতি ছোট পাতার মত। ফল ছোট লম্বাটে। পটলের মত দেখতে। পাকলে সিপুর রঙের হয়। কাচা অবস্থায় সবুজ রঙের থাকে। ফলের গায়ে সাদা সাদা জোড়া কাটা দাগ আছে ফুলটি সাদা রঙের হয় দেখতে মহিকের আকৃতি। গাছের লতা ১০/১২ হাত লম্বা হয়ে থাকে। জ্যৈষ্ট, আষাঢ় মাসে ফুল আসে।
সংগ্রহের পদ্ধতি: এই শাকের লতার কচি ডগা ও পাতা সংগ্রহ করা হয়। ফল ও সংগ্রহ করা হয়। যশোর এলাকাতে এই গাছের কচি ফল অনেকে খেয়ে থাকে।
কোন অংশ খায়: পাতা, ডগা ও ফল খাওয়া হয় নানা ভাবে।
খাওয়ার পদ্ধতি: ভার্তা, ভাজি, বড়া, সালাদ, ল্যাবড়া রতা করে খাওয়া হয়। কাচা ফল শসার মত করে চিবিয়ে খাওয়া হয়।
গ্রাম থেকে তোলা: জুন ২০২২।
Comments
Post a Comment