অবলা মন চাই না আমি তোরে কেন জ্বালা দিচ্ছিস ভুলে যা তুই মোরে ফিরে আসব কি আসব না মন কি তোর ভয় হয় না। সহজ মনের সরলতায় সুযোগ নিয়েছে তারা। একবার নয় বার বার সুযোগ নিয়েছে এবার আর নয়। নিঃস্ব বীরের বেশে হাসবো এবার মন খুলে। আ-হা কি আনন্দ মনে পারবে কি এই সরলতার সম্মান দিতে। পারবে না, তাই তুই ফিরে যা। আর মোরে জ্বালাস না। তুই ফিরে যা তোর বেশে। আ -কা ১৯/০৮/২০১৫
ঢোল কলমি ,ইংরেজী নাম: pink morning glory), বৈজ্ঞানিক নাম: Ipomoea carnea) ছবি: আবুল কালাম দেশের সব এলাকায় রাস্তার ধারে, বাড়ির পাশে, মাঠে-ঘাটে, জলাশয়ের ধারে, খাল-বিলের ধারে সর্বত্রই চোখে পড়ে। গ্রামে অবহেলায় বেড়ে ওঠা আগাছা হিসেবে ঢোল কলমি। অযত্নে অবহেলায় জন্ম নেয়া ঢোলকলমি গাছের ফুল যেকোন বয়েসি মানুষের নজর কাড়বে। পাঁচটি হালকা বেগুনি পাপড়ির ফুল দেখতে বেশ আকর্ষণীয়। সারা বছরই ঢোল কলমির ফুল ফোটে। তবে বর্ষার শেষে শরৎ থেকে শীতে ঢোলকলমি ফুল বেশি দেখা যায়। একটি মঞ্জরিতে চার থেকে আটটি ফুল থাকে। ফুলে মধুর জন্য কালো ভোমরা আসে। এ গাছ অল্পদিনের মধ্যেই ঘন ঝাড়ে পরিণত হয়। এ গাছ জমির ক্ষয়রোধ করে ও সুন্দর ফুল দেয়। দেশের গ্রামাঞ্চলে এই গাছ জমির বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অনেকে আবার জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করে। নদীর তীরে কিংবা বিশাল ফসলের মাঠে ঢোল কলমি জন্মে পাখির বসার জায়গা করে দেয়। এ গাছে বসে পাখি পোকামাকড় খায়। ফুলের মধু সংগ্রহ করতে কালো ভোমরার আনাগোনা দেখা যায়। গ্রামের শিশুরা ঢোলকলমির ফুল দিয়ে খেলা করে।