Skip to main content

চিলমারীতে রোপা আমন ধানের বীজ পাওয়া যাচ্ছে না

আবুল কালাম



x
x

চলতি বছরে রংপুর অঞ্চলে বোরো মৌসুমে ধানের দর পতনের পর এবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হলো রোপা আমনের বীজতলা, ভাদাই ধান ও সবজি ফসলের মাঠ। এখন পুরোদমে চলছে রোপা আমনের মৌসুম। কৃষকরা দিশেহারা হচ্ছে কি করবে তাদের কথা ধান দাম না পাইলে কি হবে পেটের তো খাবার করতে হবে।

চিলমারীতে কোথাও কোন রোপা আমনের বীজ পাওয়া যাচ্ছে না । বন্যার কারেনে রোপা আমনের সকল বীজতলা নষ্ট হয়েছে। বিভিন্ন যায়গা থেকে বীজ আসলেও সে বীজ কেনার মত আর্থিক-সমর্থ থাকে না কৃষকদের। তবুও দিশেহারা হয়ে দূরদূরান্ত থেকে বীজ সংগ্রহ করে জমিতে চারা রোপন করছেন অনেক কৃষক।


চিলমারীতে এক-পোন বীজ বিক্রি হচ্ছে ১২০০/= অর্থাৎ ৮০টা বীজের মোটার দাম এত টাকা। এই বীজ দিয়ে ৯-১০ কাটা জমি রোপন করা সম্ভব। কৃষকের কথা হচ্ছে এতো টাকা দিয়ে বীজ কিনে আমরা ধান উৎপাদন করবো আমাদের সেই ধানের নেয্য মূল্যটুকো আমরা পাইনা। ধান উৎদন খচর দেখে অনেক কৃষক তারদের ফসলি জমি খালি রেখে দিয়েছে।

আমার নিজের অজ্ঞিতা এখানে বলি। আমি গত ১৩ আগষ্ট ২০১৯ চিলমারী রেলস্টেসনে বিভিন্ন জায়গা থেকে বীজ নিয়ে আসা বীজের ব্যাপারী সাথে রোপা আমন ধানের বীজ কেনার জন্য দর কসাকসি করি। কোন লাভ হয়নি দাম কসা কসি করে। একবারে একদাম চেয়ে বসে ছিল বীজ ব্যাপারী এক-পোন রোপা আমনের বীজ নিলে ১৬০০/ টাকা দিতে হবে।

এলাকার এক বড় ভাই কৃষক বলে উলিপুরের কিছু এলাকায় বীচ পাওয়া জায় সেখানে খোজ করতে বলেন। আমি চলে যাই উলিপুর রেলঘুন্ডিতে রোপা আমনের বীজ আছে সেখানে। এখানে এসে দেখি আরো আগুন দাম রোপা আমন ধানের বীজের। আমাকে জমিতে নিয়ে গেলেন বীজ ব্যাপারী তার বীজগুলী জমিতে আছে। সেখানে ১ সতাংশ বীজতলা দেখালো গুটি সরনো ধানের। সেই এক সতাংশ ধানের বীজের দাম হাকিয়েছেন ৪৫০০/টাকা সে কথা শুনে আমি ৮০০/ টাকা দাম বলে চলে আসি। পরে সিদ্ধান্ত নেই যে এবার আর জমিতে ধান রোপন করবো না।

পরে অন্য এক জায়গা থেকে খবর আসে বীজ পাওয়া গেছে ৯০০/টাকার। সেই ৯০০ টাকার বীজ দিয়ে ১০কাটা রোপা আমান ধান বীজ রোপন করি।


বীজ কেনার জন্য অনেক জায়গায় যেতে হচ্ছে কৃষকদের এবং সেই সাথে কৃষকদের হয়রানির শেষ নাই।বীজ পছন্দ হচ্ছে তবে দামে মিলছে না।

বীজের জন্য হয়রানির শেষ নাই কৃষকের কষ্ট আমরা শহরের মানুষ কয়জনে বুঝি? 

কৃষকরা এতো কষ্টোর বিনিময় তারা তাদের ন্যায্য ধানের মূল্য বঞ্চিত হয় কেন?

কৃষকের সকল খাদ্য শস্য ন্যায্য মূল্য দেয়া হক।

Comments

Popular posts from this blog

ঢোল কলমি

  ঢোল কলমি ,ইংরেজী নাম:   pink morning glory), বৈজ্ঞানিক নাম:  Ipomoea carnea)  ছবি: আবুল কালাম দেশের সব এলাকায় রাস্তার ধারে, বাড়ির পাশে, মাঠে-ঘাটে, জলাশয়ের ধারে, খাল-বিলের ধারে সর্বত্রই চোখে পড়ে। গ্রামে অবহেলায় বেড়ে ওঠা আগাছা হিসেবে ঢোল কলমি।   অযত্নে অবহেলায় জন্ম নেয়া ঢোলকলমি গাছের ফুল যেকোন বয়েসি মানুষের নজর কাড়বে। পাঁচটি হালকা বেগুনি পাপড়ির ফুল দেখতে বেশ আকর্ষণীয়। সারা বছরই ঢোল কলমির ফুল ফোটে। তবে বর্ষার শেষে শরৎ থেকে শীতে ঢোলকলমি ফুল বেশি দেখা যায়। একটি মঞ্জরিতে চার থেকে আটটি ফুল থাকে। ফুলে মধুর জন্য কালো ভোমরা আসে। এ গাছ অল্পদিনের মধ্যেই ঘন ঝাড়ে পরিণত হয়। এ গাছ জমির ক্ষয়রোধ করে ও সুন্দর ফুল দেয়।  দেশের গ্রামাঞ্চলে এই গাছ জমির বেড়া হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অনেকে আবার জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করে। নদীর তীরে কিংবা বিশাল ফসলের মাঠে ঢোল কলমি জন্মে পাখির বসার জায়গা করে দেয়। এ গাছে বসে পাখি পোকামাকড় খায়। ফুলের মধু সংগ্রহ করতে কালো ভোমরার আনাগোনা দেখা যায়। গ্রামের শিশুরা ঢোলকলমির ফুল দিয়ে খেলা করে।

তেলাকুচা

 ছবিটা যখন তুলছিলাম মনে হচ্ছে একটি প্রাণের ছবি তুললাম। আমরা সাধারণত গ্রামের আনাছে কানাছে বেশী দেখতে পাই এই তেলাকুচা গাছটি। গাছটি লতা জাতীয়।

ছাগল

 যেনেছি ্‌এই ছাগল না কি ৩পোয় দুধ দেয়। একটি ছাগলে ছোট ছোট গরিব পরিবারগুলোর মুখে হাসি ফুটায়। তার পরিবার স্বাবলম্বী হয়।