আবুল
কালাম
চলতি
বছরে রংপুর অঞ্চলে বোরো মৌসুমে ধানের দর পতনের পর এবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হলো রোপা
আমনের বীজতলা, ভাদাই ধান ও সবজি ফসলের মাঠ। এখন পুরোদমে চলছে রোপা আমনের মৌসুম। কৃষকরা
দিশেহারা হচ্ছে কি করবে তাদের কথা ধান দাম না পাইলে কি হবে পেটের তো খাবার করতে হবে।
চিলমারীতে
কোথাও কোন রোপা আমনের বীজ পাওয়া যাচ্ছে না । বন্যার কারেনে রোপা আমনের সকল বীজতলা নষ্ট
হয়েছে। বিভিন্ন যায়গা থেকে বীজ আসলেও সে বীজ কেনার মত আর্থিক-সমর্থ থাকে না কৃষকদের।
তবুও দিশেহারা হয়ে দূরদূরান্ত থেকে বীজ সংগ্রহ করে জমিতে চারা রোপন করছেন অনেক কৃষক।
চিলমারীতে
এক-পোন বীজ বিক্রি হচ্ছে ১২০০/= অর্থাৎ ৮০টা বীজের মোটার দাম এত টাকা। এই বীজ দিয়ে
৯-১০ কাটা জমি রোপন করা সম্ভব। কৃষকের কথা হচ্ছে এতো টাকা দিয়ে বীজ কিনে আমরা ধান উৎপাদন
করবো আমাদের সেই ধানের নেয্য মূল্যটুকো আমরা পাইনা। ধান উৎদন খচর দেখে অনেক কৃষক তারদের
ফসলি জমি খালি রেখে দিয়েছে।
এলাকার
এক বড় ভাই কৃষক বলে উলিপুরের কিছু এলাকায় বীচ পাওয়া জায় সেখানে খোজ করতে বলেন। আমি
চলে যাই উলিপুর রেলঘুন্ডিতে রোপা আমনের বীজ আছে সেখানে। এখানে এসে দেখি আরো আগুন দাম
রোপা আমন ধানের বীজের। আমাকে জমিতে নিয়ে গেলেন বীজ ব্যাপারী তার বীজগুলী জমিতে আছে।
সেখানে ১ সতাংশ বীজতলা দেখালো গুটি সরনো ধানের। সেই এক সতাংশ ধানের বীজের দাম হাকিয়েছেন
৪৫০০/টাকা সে কথা শুনে আমি ৮০০/ টাকা দাম বলে চলে আসি। পরে সিদ্ধান্ত নেই যে এবার আর
জমিতে ধান রোপন করবো না।
পরে অন্য এক জায়গা থেকে খবর আসে বীজ পাওয়া গেছে ৯০০/টাকার। সেই ৯০০ টাকার বীজ দিয়ে ১০কাটা রোপা আমান ধান বীজ রোপন করি।
বীজ
কেনার জন্য অনেক জায়গায় যেতে হচ্ছে কৃষকদের এবং সেই সাথে কৃষকদের হয়রানির শেষ নাই।বীজ
পছন্দ হচ্ছে তবে দামে মিলছে না।
বীজের জন্য হয়রানির শেষ
নাই কৃষকের কষ্ট আমরা শহরের মানুষ কয়জনে বুঝি?
কৃষকরা এতো কষ্টোর বিনিময়
তারা তাদের ন্যায্য ধানের মূল্য বঞ্চিত হয় কেন?
কৃষকের সকল খাদ্য শস্য ন্যায্য
মূল্য দেয়া হক।


Comments
Post a Comment